সিলেটের পাহাড় চূড়ায় শুকতারা


প্রায় সাত একরের ছোট্ট একটি পাহাড়। উদ্দীনের টিলা নামেই বেশি পরিচিত। চূড়ায় উঠলে যেদিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। খাদিম আর বরজানের চা বাগান, একটু পেছনে খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান আর সবশেষে দূর বহুদূরে দৃষ্টিসীমা আটকে দেওয়া খাসিয়া-জৈনি-য়া পাহাড়ের আকাশ ছোঁয়া দেয়াল। অন্যদিকটায় দেখা যায় সুরমার জলধারা, আরেক দিকে দিন-রাত পাহাড়ের বাঁকে উঁকি মেরে জ্বলে চলা আলুটিলা গ্যাসফিল্ডের মশাল। চারিদিকে সবুজে গেলা প্রান-রের মাঝে পাহাড় চূড়ায় এক টুকরা স্বর্গ শুকতারা প্রকৃতি নিবাস।
শাহজালাল, শাহপরানের পূণ্যভূমি সিলেট শহর থেকে প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার দূরেই এর অবস'ান। সিলেট শহর থেকে তামাবিল সড়কে শাহ্‌পরাণ (রহ:)-এর মাজার ছেড়ে একটু সামনে বামে ছোট সড়কে মোড় নিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার এগুলেই শুকতারার দুয়ার। 
এখানে পাহাড়ের পায়ের কাছে গিয়ে গাড়ি ছেড়ে উপরে উঠতে হবে। সর্পিল আঁকাবাঁকা সান বাঁধানো পথ উপরে উঠে গেলেও গাড়ি ওঠানোর অনুমতি নেই। তবে ভয়েরও কিছু নেই। শুকতারার ট্রেন কিংবা গলফ কার্ট সুউচ্চ টিলার গা বেয়ে সোজা পৌঁছে দেবে অভ্যর্থনা গৃহের সামনে। পাহাড়ের গাছগাছালির আড়ালে চারতলাবিশিষ্ট এ বাড়িটির তৃতীয় তলায় সাজানো গোছানো অভ্যর্থনা আর লাউঞ্জ। পাশেই পাঠাগার। চায়ের দেশ সিলেটের ইতিহাস-ঐতিহ্য, আর ভ্রমণের বই-ই এর মূল বিষয়। এর এক ছাদ নিচেই রেসে-ারা একাশিয়া। একেবারে ভিন্ন এক পরিবেশে অসাধারণ সুস্বাদু সব খাবার এখানকার। পাশেই সভাকক্ষ। চল্লিশজন একসঙ্গে সভা করতে পারবেন এখানে। একেবারে নিচের তলায় আছে ছোট একটি হোম থিয়েটার। এ ভবনটিতে স'ান পেয়েছে নানা করম শিল্পকর্ম, চিত্রকর্ম আর আলোকচিত্র। 
অভ্যর্থনা থেকে সামান্য দূরত্বে পাহাড়ের উপরে শুকতারার প্রকৃতি নিবাষ। এ পথের শুরুতেই ‘পাখিনীড়’ নামে শিল্পী অলক রায়ের শিল্পকর্ম। এখান থেকে উপরে কর্টেজের আঙ্গিনায় দাঁড়িয়ে সিলেটের চারপাশের বড় একটা অংশই চোখে ধরা দেয়। কর্টেজগুলোর ভেতরের সৌন্দর্য বাইরে থেকে বুঝার উপায় নেই। প্রতিটি কক্ষের ছাদ পর্যন- কাঁচের দেয়াল। মোটা পর্দা সরিয়ে দিলে ঘরে বসেই পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় সহজেই। প্রতিটি ঘরের সঙ্গেই লাগোয়া বারান্দা। ভেতরের আসবাব বেতের তৈরি, কাঠের মেঝে আর পরিচ্ছন্ন বিছানা। গোসলখানায় সার্বক্ষণিক গরমজল আসে সৌরচালিত গিজার থেকে। 
শুকতারা প্রকৃতি নিবাসের চারপাশেই আছে বেশকিছু অসাধারণ বেড়ানোর জায়গা। খাদিম চা বাগান, বরজান চা বাগান, শাহ্‌ বদরের মাজার, খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান, শাহ্‌পরান (রহ.), শাহজালাল (রহ.) মাজার, রাতারকুল জলের বন, সারি নদী, লালা খাল, জৈন-া রাজবাড়ি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিত্যক্ত বিমানবন্দর, জাফলং, সারি নদী, লালাখাল ইত্যাদি। এসব জায়গায় বেড়ানোর জন্য শুকতারার আছে অভিজ্ঞ গাইড আর বিভিন্ন প্যাকেজ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি সাহিত্যকর্মের জায়গা

বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য অনেক জায়গায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখ্যযোগ্য অনেক সাহিত্যকর্মের সৃষ্টি এসব জায়গাতেই। তারই মধ্যে একটি শিলাইদহ কুঠিবাড়ি।
শিলাইদহ কুঠিবাড়ি 
জেলা সদর থেকে প্রায় বারো কিলোমিটার দূরে কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের ঐতিহাসিক কুঠিবাড়ি। শিলাইদহের আগে নাম ছিল খোরশেদপুর। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার গ্রামটি কিনে নেওয়ার আগে এখানে একটি নীলকুঠি ছিল। শেলী নামে একজন নীলকর এটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। গড়াই এবং পদ্মা নদীর মিলিত প্রবাহের ফলে গভীর একটি “দহ” বা ঘূর্ণিস্রোত থেকে গ্রামটির নাম হয় শেলীদহ। পরবর্তীতে তা রূপ নেয় শিলাইদহ-তে। ১৮০৭ সালে রামলোচন ঠাকুরের উইল সূত্রে রবীন্দ্রনাথের পিতামহ স্বারকানাথ ঠাকুর এ জমিদারির মালিকানা পান। জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে রবীন্দ্রনাথ সর্বপ্রথম শিলাইদহে আসেন ১৮৮৯ সালের নভেম্বরে। কৈশোর ও যৌবনের বিভিন্ন সময় জমিদারি দেখাশোনা করতে কবি এখানে আসতেন এবং কুঠিবাড়িতেই থাকতেন। একসময় পদ্মার ভাঙন কুঠিবাড়িকে গ্রাস করার উপক্রম হলে বাড়িটি ভেঙে নতুন কুঠিবাড়ি নির্মাণ করা হয়। ১৮৯১-১৯০১ সালে অল্প বিরতিতে কবি নিয়মিত এখানে অবস'ান করেছেন। শিলাইদহে অভস'ানকালে কবি তার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরষ্কারটি লাভ করেছিলেন। ১৯১৩ সালে কবি যে সাহিত্যকর্মের জন্য নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন, সেই “গীতাঞ্জলি”র অধিকাংশ কিবতাই শিলাইদহে রচিত। এ ছাড়াও জাগয়াটিতে বসে বসে তিনি অসংখ্য গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, গান ইত্যাদি রচনা করেন। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘চিত্রা’, ‘চৈতালী’, ‘কল্পনা’, ‘ক্ষণিকা’, ‘সোনারতরী’, ‘কথা ও কাহিনী’, ‘বলাকা’, গীতাঞ্জলি’, ‘চিরকুমারসভা’, ‘জীবনস্মৃতি’, ‘পঞ্চভূতের ডায়েরি’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘চোখের বালি’ ইত্যাদি। 
সবুজে ঘেরা এ কুঠিবাড়ির প্রবশে পথেই রয়েছে লোহার ফটক। চারপাশ মোটা দেয়ালে ঘেরা। ভেতরে তিনতলা বিশিষ্ট কুঠিবাড়ি। প্রায় ৩০ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ বাড়িটিতে সবমিলিয়ে পনেরটি কক্ষ আছে। তিন তলার একটি ঘরে বসে পদ্মার সৌন্দর্য্যে বিমোহিত হয়ে কবি তার শিল্পকর্ম রচনা করতেন। এখানে রয়েছে বেশ কিছু তৈলচিত্র, কবির ব্যবহৃত লেখার টেবিল, নৌকা, আরামকেদারা, আলমারি, পালকি, ঘাসকাটার যন্ত্র ইত্যাদি। কবি যে নৌকাটিতে চড়ে পদ্মায় ভেসে লিখথেন গল্প-কবিতা সেটিরও ধ্বংসাবশেষ দেখা যাবে কুঠিবাড়িতে। এ ছাড়াও কুঠিবাড়ির পূর্বপাশে আছে কবির আম বাগান, পশ্চিম পাশে শান বাঁধানো পুকুর। 
শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে সরকারি ব্যবস'াপনায় এখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জাদুঘর। সপ্তাহের রবি ও সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন- খোলা থাকে এ জাদুঘর। সোমবার বেলা ৩টা পর্যন- বন্ধ থাকে। ২৫ বৈশাখ কবির জন্মবার্ষিকী এবং ২২ শ্রাবণ মৃত্যুবার্ষিকীতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় শিলাইদহে। 
যাতায়াত
ঢাকা থেকে সরাসরি সড়কপথে কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। ঢাকার গাবতলী কল্যাণপুর থেকে বাস যোগে যাওয়া যায়।
শাহজাদপুর রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে আছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কাচারিবাড়ি। এখানেও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৈত্রিক জমিদারি ছিল। কবির দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর নীলকরদের একটি কুঠি নিলামে কিনে নেন। ঊনত্রিশ বছর বয়সে ১৮৯০ সালে সর্বপ্রথম শাহজাদপুরে জমিদারি তত্ত্বাবধান করতে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এরপরে ১৮৯৬ সাল পর্যন- জমিদারির কাজে এখানে যাওয়া-আসা ও অবস'ান করেন কবি। এখানে অবস'ানকালে তিনি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাহিত্যকর্ম রচনা করেন। ঠাকুর পরিবারের জমিদারি ভাগাভাগির ফলে শাহজাদপুরের জমিদারি চলে যায় রবীন্দ্রনাথের অন্য শরীকাদের কাছে। তাই ১৮৯৬ সালে তিনি শাহজাদপুর ছেড়ে চলে যান। জমিদারি খাজনা আদায়ের একটি পুরোনো দ্বিতল ভবন এখনো আছে, বর্তমানে যা ব্যবহৃত হচ্ছে জাদুঘর হিসেবে। প্রতিবছর ২৫ বৈশাখ কবির জন্ম দিবসে এখানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন দিনের নানান অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। 
যাতায়াত
ঢাকার গাবতলী থেকে শাহজাদপুর এক্সপ্রেস সরাসরি যায় শাহজাদপুর। এ ছাড়াও ঢাকার মহাখালী থেকে বাস যোগে যায় সিরাজগঞ্জ। জেলাশহর থেকে রবীন্দ্র কাচারিবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। সেখান থেকে বাসে শাহজাদপুর ষ্টেশনে নেমে এক কিলোমিটার দূরে অবসি'ত কাচারিবাড়ি। 

পতিসর কুঠিবাড়ি
নওগাঁ জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে আত্রাই উপজেলার পতিসরে নাগর নদীর তীরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি কুঠিবাড়ি। তোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জমিদারির কালিগ্রাম পরগণার সদর কাচারি ছিল এখানে। রবীন্দ্রনাথের পিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮৩০ সালে এ জমিদারি ক্রয় করেন। রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং জমিদারি দেখাশুনার জন্য ১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম পতিসরে আসেন। পতিসরের দোতলা অনেকটা শিলাইদহ ও  শাহজাদপুরের কুঠিবাড়ির অনুরূপ। বাড়ির সামনের প্রশ্বস- খোলা মাঠ নাগর নদী পর্যন- বিস-ৃত। ১৯০৫ সালে তিনি পতিসর কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে নোবেল পুরষ্কারের এক লক্ষ টাকাও তিনি এই ব্যাংককে দান করেন। ১৯১৩ সালে কবি পতিসরে প্রতিষ্ঠা করেন কালীগ্রাম রবীন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউট। বিভিন্ন সমেয় এখানে অবস'ানকালে কবি রচনা করেন তার জীভনের উল্লেখযোগ্য কিছু সাহিত্যকর্ম। ১৯২১ সালে জমিদারি ভাগ হলে পতিসর রবীন্দ্রনাথের ভাগে পড়ে। কিন' নানান ব্যস-তার কারণে পতিসরের সঙ্গে যোগাযোগ কমে যায়। শেষ বারের মতো তিনি পতিসরে আসেন ১৯৩৭ সালে। রবীন্দ্র কাচারিবাড়িতে বর্তমানে সংরক্ষিত আছে কবির অনেক স্মৃতিময় নিদর্শন। প্রতিবছর ২৫ বৈশাখ কবির জন্মদিনে এখানে নানান অনুষ্ঠান এবং লোকজ মেলা চলে আসছে বহু বছর ধরে। 
যাতায়াত
ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি নওগাঁ যাওয়া যায়। নওগাঁ সদর থেকে পতিসর আসা যায় বাসে।

List of Download 50+ Internet Browser

A huge amount of internet browser list, Usually we are use mozilla, opera & google chrome. But here I share with you upto 50 web browser list.

Internet Explorer
Microsoft Corporation
http://windows.microsoft.com/en-US/internet-explorer/product/ie/home

Firefox
http://www.mozilla.com/en-US/firefox/new

Google Chrome
http://www.google.com/chrome/eula.html

Safari
http://www.apple.com/safari/download/

Opera
http://www.opera.com/downloads/

Comet Bird
http://www.cometbird.com/paga/download.php

Sundial Browser
http://www.softpedia.com/progDownload/Sundial-browser-Download-175394.html

Deepnet Explorer
http://www.deepnetexplorer.com/download/download.asp

Netscape Navigator
http://www.seamonkey-project.org/releases/

K-Meleon
http://kmeleon.sourceforge.net/download.php

Konqueror
http://www.konqueror.org/download

Maxthon Browser
http://www.maxthone.com/mx3/index.html

Flock
http://flock.en.softonic.com/

Lunascape
http://www.slimbrowser.net/en/dlpage.php

KidRocket
http://download.cnet.com/KidRocket-KidSafe-Web-Browser-for-Kids/3000-2132_4-10826177.html

Epic
http://www.srware.net/en/software_srware_iron_download.php

Comodo Dragon
http://www.comodo.com/home/browsers-toolbars/browser.php

Crazy Browser
http://www.crazybrowser.com/

Shenz Browser
http://www.shenz.com/ShenzBrowser.exe

Avant Browser
http://www.avantbrowser.com/download.aspx?uil=en-US

Enigma Browser
http://www.orcabrowser.com/download.php

xB Browser
https://xerobank.com/download/index.html

Sleipnir
http://www.fenrir-inc.com/global/sleipnir/downloads/

Space Time
http://www.softpedia.com/get/Internet/Browsers/SpaceTime-3D.shtml

Browse3D
http://www.browse3d.com/documents/download.html

Bitty Browser
http://www.bitty.com

Grail
http://lynx.isc.org/

The World Browser
http://www.theworld.cn/twen/download.html

Tencent Holdings
http://tt.qq.com

Pink Browser
http://www.pinkbrowser.com/download.html

Nuke Browser
http://www.nuketech.net/nukebrowser.htm

Acoo Browser
http://www.acoobrowser.com/download.php

Pale Moon
http://dooble.sourceforge.net/

Menu Box
http://www.menubox.com

Chromium
http://www.chromium.org/getting-involved/download-chromium

Ultra Browser
http://www.ultrabrowser.com/homepage/download_ub11.html

ZAC Browser
http://zacbrowser.com/download-zacbrowser/

Green Browser
http://www.morequick.com/indexen.htm

Wyzo Media Browser
http://www.wyzo.com/download/

QupZilla
http://www.qupzilla.com/download

QtWeb
http://www.qtweb.net/download.php

Arora
http://code.google.com/p/arora/downloads/list

Kylo
http://kylo.tv/

Black Bird
http://blackbirdhome.com/alpha/common/download.php

Intel Processor Diagnostic Software


The Intel Processor Diagnostic software is designed to verify the functionality of an Intel microprocessor by checking brand identification, verifies the processor operating frequency, tests specific processor features and performs stress test on the processor. The Intel Processor Diagnostic Tool (IPDT) users will have the possibility to configure Intel Processor Diagnostic Toll to run in the presence test mode or the verification mode. Additionally, it can be configured to enable (run) or disable (skip) individual default configurations are used for this mode of operation. Intel Processor Diagnostic Tool user guide.

The Intel Processor Diagnostic applies to :
1. Intel Core i3 Desktop and Intel i3 Mobile Processor
2. Intel Core i5 Mobile Processor and Core i5 Processor
3. Intel Core i7 Processor and Core i7 Mobile Processor including their Extreme Edition
4. Intel Core2 Duo Desktop, Mobile and their Extreme Edition
5. Intel Pentium 4, Pentium D, Pentium M Processor and their Extreme Edition.
6. Intel Xeon Processor 300, 5000, 6000, 7000 Sequence
7. Intel Atom Processor
8. Intel Celeron Processor Family
9. Mobile Intel Pentium 4 Processors-M
10. Intel Core Solo and Core2 Solo Processor.

(File size 5.8MB)

(File size 5.8MB)

রামসাগর জাতীয় উদ্যান

বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জাতীয় উদ্যান রামসাগর। উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলা শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে অবসি'ত জাতীয় এ উদ্যানটি। আকারে ছোট হলেও সৌন্দর্য্য আর বৈচিত্র্যে এ উদ্যানটির তুলনা নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দিঘি রামসাগরকে ঘিরেই এ উদ্যান।
রামসাগর জাতীয় উদ্যান দিনাজপুরে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে অবসি'ত। দিঘিটির খননকাল ছিল ১৭৫০-১৭৫৫ সাল। সেসময়ে এ অঞ্চলে প্রচণ্ড খরা আর দুর্ভিক্ষ চলছিল। তাই প্রজাদের সেচ সুবিধা, জলকষ্ট দূরীকরণ আর খাদ্যাভাব পূরণের লক্ষ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে রাজা রামনাথ এ দিঘি খনন করেন এবং নিজের নামেই এর নামকরণ করেন। জনশ্রুতি আছে, সে সময় দিঘিটি খনন করতে রাজা রামনাথের ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩০,০০০ টাকা। মূল দিঘি অর্থাৎ জলভাগের দৈর্ঘ্য ১০৩১ মিটার আর প্রস' ৩৬৪ মিটার। তবে পুরো রামসাগর জাতীয় উদ্যানের আয়তন প্রায় ২৭ হেক্টর। রামসাগর বনবিভাগের দায়িত্বে আসে ১৯৬০ সালে। এরপরে ১৯৯৫-৯৬ সালে সরকার এটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলে। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল রামসাগর এলাকাকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
রামসাগর দিঘি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা আকৃতির। দিঘিটির উত্তরের দিকটি অপেক্ষাকৃত বেশি গভীর। বেশ কয়েকটি পাকা ঘাট থাকলেও প্রধান ঘাটটি পশ্চিম পাড়ের ঠিক মাছ বরাবর অবসি'ত। প্রায় ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস' এ ঘাটটি দিঘির উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব পাশেও একটি করে ছোট ঘাট রয়েছে। 
দিঘিটির চারপাশে গাছে গাছে ঢাকা ইট বাঁধানো পথ আর ছোট ছোট কয়েকটি টিলা। রামসাগর দিঘির পশ্চিম পাশে ছোট্ট একটি চিড়িয়াখানা আছে। 
দিঘির উত্তর দিকে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত লাল ইটের একটি প্রাচীন স'াপনা দেখা যায়। এটি নিয়ে নানা কথা প্রচলিত আছে স'ানীয়দের কাছে। কারও মতে এটি একটি মন্দির আবার কারও মতে একটি একটি বিশ্রামাগারে। 

নানা করম গাছপালাসমৃদ্ধ জাতীয় এ উদ্যানের দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। শীতে এ জায়গাটি প্রচুর অতিথি পাখির মিলনমেলায় পরিণত হয়।
রামসাগর জাতীয় উদ্যানটি দিনাজপুরের একটি নিরাপদ পর্যটন কেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন স'ান থেকে প্রতিদিন প্রচুর দর্শনার্থী জায়গাটিতে ভ্রমনে আসে। 
প্রয়োজনীয় তথ্য
প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন- খোলা থাকে রামসাগর জাতীয় উদ্যান। এখানে প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ২টাকা। নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করে গাড়ি নিয়েও জায়গাটিতে প্রবশে করা যায়। রামসাগরে বাহনের প্রবেশ মল্য রিক্‌শা ৫টাকা, কার বা জিপ ৩৫ টাকা, সাধারণ মাইক্রোবাস ৬০ টাকা, বড় মাইক্রোবাস ৭৫ টাকা। নিজস্ব বাহন না থাকলে দিনাজপুর শহরে থেকে ব্যাটারি চালিত রিক্‌শায় রামসাগর আসতে সময় লাগে প্রায় ত্রিশ মিনিট। ভাড়া ১০০-১৫০ টাকা।

কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী বাসগুলো সাধারণ ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৯০০ টাকা। এ ছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ, এস আর ট্রাভেলস, কেয়া পরিবহন, এস এ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল পরিবহনের নন-এসি বাসও চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন-ঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন-ঃনগর একতা এক্সপেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৫০মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার। ভাড়া শোভন সিটি ১৮৫ টাকা, শোভন চেয়ার ২৫০, প্রথম শ্রেণী চেয়ার ৩৫০, প্রথম শ্রেণী ব্যর্থ ৫৩৫, এসি চেয়ার ৬১৮, এসি ব্যর্থ ৮৯৭ টাকা। দিনাজপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৮টা ১০মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ৫০মিনিটে। দিনাজপুর থেকে এমতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন :
রামসাগরে বনবিভাগের একটি বিশ্রামাগার থাকলেও সাধারণ পর্যটকদের সেখানে থাকার ব্যবস'া নেই। রামসাগর ভ্রমণে গেলে তাই থাকতে হবে দিনাজপুর শহরে। দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)।ছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ 
মোটেলের বুকিং দিতে পারেন। ফোন : ৯৮৯৯২৮৮-৯১। দিনাজপুরের পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১৫০০ টাকা এবং এসি টুইনবেড ডিলাক্স কক্ষ ১৮০০ টাকা। এছাড়া দিনাজপুরের অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেলে ১০০-১২০০ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস'া আছে। কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হলো-
মালদহ পট্টিতে-হোটেল ডায়মন্ট, ফোন : ০৫৩১-৬৪৬২৯
নিমতলায়-হোটেল আল রশিদ, ফোন : ০৫৩১-৬৪২৫১
হোটেল নবীন, ফোন : ০৫৩১-৬৪১৭৮
হোটেল রেহানা, ফোন : ০৫৩১-৬৪৪১৪
নিউ হোটেল, ফোন : ০৫৩১-৬৮১২২।

Windows-র সমস্যা দূর করতে Soluto


পিসি’র বিভিন্ন ধরণের সমস্যা সমাধান করে দ্রুততম সময়ে পিসি ব্রাউজিংয়ের সুবিধা দিতে রয়েছে Soluto। মূলত তিনটি ক্ষেত্রে এটি জোর দিয়ে কাজ করে-বুট টাইম কমানো, ওয়েব ব্রাউজিং গতিশীল করা এবং Program ক্র্যাশ থেকে System কে সুরক্ষিত রাখা। 


Soluto Install করার সাথে সাথেই System একবার Restart দিয়ে নিতে হয়। System Restart দিলেই Soluto  System-র যাবতীয় তথ্য ধারণ করে নেয় নিজের System-র মধ্যে। পরবর্তীতে যেকোন ধরণের কাজের জন্য এই তথ্যগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ থেকেই সে পিসি’র অবস'া নিরূপন করে থাকে। Boot Time কমাতে অর্থাৎ, পিসি চালু করতে যে সময় প্রয়োজন, তা কমাতে এটি পিসি’র Start-Up Program ব্যবস'াপনার কাজটি করে থাকে চমৎকারভাবে। যেসব Start-Up Program পিসি’র Boot Time বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী, সেসব Program কে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নিস্ক্রিয় করে দেয়। পরে পিসি চালু হয়ে গেলে এটি আবার প্রয়োজনীয় Program গুলো চালু করে দেয়। কেবল Start-Up Program-ই নয়, পিসিতে রান করা যেকোন ধরণের Program এ কোনো সমস্যা থাকলে সেটিও জানিয়ে দিতে পারে Soluto। তাছাড়া পিসি’র পারফরম্যান্স বাড়িয়ে দিতে যদি কোনো Program Install করার প্রয়োজন হয়, সেটিও Notification-র মাধ্যমে এটি জানিয়ে দিতে সক্ষম। Program বা Software-র ক্ষেত্রেই নয়, Soluto পিসি’র Hardware-র কোনো সমস্যা থাকলে সেটি যথাসময়ে জানিয়ে দেয় এটি। আবার Operating System-র কোনো Update প্রয়োজন হলে সেটিও ব্যবহারকারীর অজানে-ই করে দেয় এই Program। এর মাধ্যমে একইসাথে পাঁচটি পর্যন- পিসি মনিটরিং করার যায়। পিসি’র অনাকাঙ্খিত সব Problem দূর করতে এটি হতে পারে আপনার সহায়। Soluto Link থেকে Download করা যাবে Soluto।

কম্পিউটারের RAM হিসেবে ব্যবহার করুন USB Pen-Drive বা SD Card !!!



USB Pen-Drive বা SD Card কে কম্পিউটারের RAM হিসাবে ব্যবহার করে আপনি আপনার পিসি’র গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন।


Windows 7 User-রা খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারবেন Ready boost software দ্বারা। আর এই সফটওয়্যার টি Windows 7-এ দেয়া থাকে।

Windows XP User-রা Ebooster একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হবে।

Windows 7 Users-এর ক্ষেত্রে :
১. USB Drive-টি লাগান।
২. Speedy Up My System অপশনটি সিলেক্ট করুন।
যদি Auto play Box Open না হয় তাহলে {My Computer-> Right Click on your Flash Drive-> Properties->Choose ReadyboostTab.} সিলেক্ট করুন।
৩. *. Dedicate this device to Ready Boost : This will use entire memory of Flash drive as RAM.
*. Use this Device : Using this you can Reserve space for storing data in USB and the space left will be used as RAM.
৪. OK-দিন।
আপনার USB Drive টি RAM-এ Convert হয়ে গেল।

UNDO করতে (Go to My Computer-> Right Click on your Flash Drive->Properties->Choose ReadyboostTab) & Select "Do not use this Device" in the above step and Click OK.

Windows XP Users এর ক্ষেত্রে :
১. Install Ebooster (http://www.mediafire.com/?l4ymvrmgmfz) Full Version (4.43 MB)
২. Ebooster Open করুন and Detect your USB device and select a option. কতটুকু Memory RAM হিসেবে allocate করতে চান তা Select করুন।
৩. Click OK.
৪. একটা pop window open হবে তারপর "Start Build Cache" Select করুন, কাজ শেষ।
UNDO করতে Select Stop build Cache তারপর Remove করুন।